জাকারিয়া তাহের সুমন ১৯৬৫ইং সালের ১৫ই ডিসেম্বর কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের সোনাইমুড়ি গ্রামের এক সম্রান্ত মুসলিম পরিবারের  জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) সাবেক সংসদ সদস্য, শিল্পপতি ও ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম একেএম আবু তাহেরের বড় ছেলে। পিতা একেএম আবু তাহেরের হাত ধরে জাকারিয়া তাহের সুমন ব্যবসা, সমাজসেবা, রাজনীতিতে সক্রিয় হোন।

দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার বড়। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক।

এসএসসি: রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল, ঢাকা।

এইচএসসি: ঢাকা কলেজ।

স্নাতক: ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, আমেরিকা।

জাকারিয়া তাহের সুমন বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের একজন প্রথম সারির রপ্তানীকারক ও উদ্যোক্তা। তিনি আরমানা গ্রুপ অব কোম্পানীজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি বিজিএমইএ-এর নির্বাচিত পরিচালক ছিলেন। তিনি ব্যাংক-বীমা শিল্পেরও একজন সফল ব্যবসায়ী। তাঁর প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রায় ২৫ হাজার নারী ও পুরুষ কর্মরত আছে। দেশে বেকারত্ব দূরীকরণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে তাঁর বিশাল অবদান রয়েছে। তিনি আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত আছেন।

‘শিক্ষায় আলোকিত, কৃষিতে সমৃদ্ধ, কর্মে স্বনির্ভর, যোগাযোগে উন্নত, সন্ত্রাস-মাদকমুক্ত, ন্যায়-ইনসাফ ভিত্তিক জনপ্রত্যাশার বরুড়া গড়তে সকলের দোয়া ও সহযোগিতা চাই’

- জাকারিয়া তাহের সুমন

রাজনৈতিক জীবন

প্রয়াত পিতার হাত ধরেই তিনি রাজনৈতিক জীবনে যাত্রা শুরু করেন। ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বরুড়া উপজেলা যুবদল ও ছাত্রদলের প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। তারই ধারাবাহিকতায় পিতার মৃত্যুর পর ২০০৪ সালের উপ-নির্বাচনে বরুড়ার সর্বস্তরের মানুষের আকাঙ্খায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে বরুড়াবাসীর সেবায় আত্মনিয়োগ করেন।

  • বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক।
  • বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বর্তমান কর্মসংস্থান বিষয়ক সম্পাদক।
  • বিএনপি’র কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার সাবেক আহবায়ক ও বর্তমান সভাপতি।

উন্নয়ন-সমৃদ্ধি, শান্তি-সম্প্রীতির ও মানবিক বৈষম্যহীন বরুড়া গড়ার অঙ্গীকার

  • প্রবাসী আয় নির্ভর উপজেলা হিসেবে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার লক্ষ্যে সমগ্র উপজেলায় কারিগরি এবং কর্মমুখী শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করা।
  • স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার মানোন্নয়নে স্মার্ট শ্রেণীকক্ষ নির্মাণ, ল্যাব স্থাপন ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মেধাভিত্তিক-সৃজনশীল প্রজন্ম গড়ে তোলা।
  • দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে এ কে এম আবু তাহের ফাউন্ডেশনের শিক্ষাবৃত্তির পরিধি আরো বিস্তৃত করা।
  • জেলা-উপজেলার সাথে ইউনিয়ন-গ্রাম-পাড়া-মহল্লার সংযোগ স্থাপনে পাকা রাস্তা, ব্রিজ-কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার করা।
  • জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় খাল।নঃখনন ও পূনরুদ্ধার করা।
  • বরুড়া পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকায়ন করা। আর্সেনিকমুক্ত সুপেয় পানি সরবরাহ ও পৌর বিনোদন পার্ক নির্মাণ করা।
  • বরুড়া বাজারসহ অন্যান্য বাজারের দুঃসহ যানজট নিরসনে বাস্তবসম্মত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
  • স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণে প্রয়োজনীয় হাসপাতাল স্থাপন, মুমূর্ষু রোগীর জরুরী সেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জোরদার, সরকারী হাসপাতালে আই সি ইউ স্থাপন, ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগীদের জন্য সেবা কেন্দ্র চালু এবং বিদ্যমান ক্লিনিক-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন করা।
  • কৃষকদের সর্বোচ্চ সুবিধা (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি পণ্যের ন্যায্য মূল্য) প্রাপ্তি নিশ্চিত করা। সেচ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করা।
  • স্থানীয় প্রশাসন এবং জনগণের সহায়তায় সন্ত্রাস-সহিংসতা, চাঁদাবাজী, ঘুষ, মাদক ও কিশোর গ্যাং নির্মূল করে শান্তিময় বরুড়া গড়ে তোলা।
  • মসজিদ, মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ের উন্নয়ন, সংস্কার ও নির্মাণে সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা।
  • নারীদের শিক্ষা, সাম্য এবং সামাজিক মর্যাদা রক্ষায় গুরুত্বারোপ করা। সুবিধাবঞ্চিত, অসহায়, দরিদ্র-বিধবা ও কর্মক্ষম নারীদের আত্মকর্মসংস্থান এবং পূণর্বাসনমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা।
  • ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও ধর্ম পালনের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও সুশাসন নিশ্চিত করা।
  • দেশের জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনায় বরুড়াকে সর্বক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা।
  • ছাত্র-ছাত্রীসহ কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে ক্রীড়ানুরাগী করার লক্ষ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌরসভা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে খেলার মাঠ সংস্কার, ক্রীড়া সামগ্রী প্রদান ও বরুড়াতে একটি স্টেডিয়াম নির্মাণ করা।
  • প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় নাগরিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করা, পূণর্বাসনের ব্যবস্থা নেয়া ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের জন্য অটিজম স্কুল চালু করা।
  • কিশোর ও তরুণ সমাজকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
  • উপজেলা পরিষদ, পুলিশ ষ্টেশন, হাসপাতাল, ইউনিয়ন পরিষদসহ সকল সরকারি দপ্তরের নাগরিক সেবাসমূহ ঘুষমুক্ত, স্বচ্ছ, উন্মুক্ত ও সহজতর করা।
  • বিগত ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে আহত, শহীদ এবং মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মুক্তিযোদ্ধা, শহীদ পরিবারকে যথাযথ সম্মাণ ও সর্বাত্মক সহায়তা প্রদান করা।

দল সম্পর্কে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একটি গণতান্ত্রিক, জাতীয়তাবাদী ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দল।

বিএনপি বিশ্বাস কর, রাষ্ট্র পরিচালনার একমাত্র বৈধ শক্তি জনগণ। ভোটাধিকার, আইনের শাসন ও মানবিক মর্যাদা এই দলের রাজনীতির মূল ভিত্তি।

বহুদলীয় গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বিএনপি শুরু থেকেই আপসহীন ভূমিকা পালন করে আসছে।

ভোটাধিকার

আইনের শাসন

জনগণের ক্ষমতা

গণতন্ত্র

একটি উন্নত বাংলাদেশের জন্য

আমি এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে সবাই সমান সুযোগ পাবে।

শিক্ষা ও যুব উন্নয়ন

গুণগত শিক্ষা, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং যুবকদের কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করা।

কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন

স্থানীয় ব্যবসা সহায়তা, উদ্যোক্তা তৈরি ও বেকারত্ব হ্রাস।

স্বাস্থ্যসেবা ও সামাজিক নিরাপত্তা

স্বল্পমূল্যে মানসম্মত চিকিৎসা, বয়স্ক ও অসহায়দের জন্য বিশেষ সেবা।

বাসস্থান ও অবকাঠামো উন্নয়ন

নিরাপদ বাসস্থান, উন্নত রাস্তা, ড্রেনেজ ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা।

আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা

মাদকমুক্ত সমাজ, নারী ও শিশু নিরাপত্তা এবং শক্তিশালী আইন প্রয়োগ।

স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল নেতৃত্ব

দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন ও জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

বই ঘর

মিডিয়া

ভিডিও

Scroll to Top